আলী আহমদকে কারাগারে প্রেরণের নিন্দা সিলেট বিএনপির

সিলেটের সকাল ডেস্ক::   সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদকে কারাগারে পাঠানেরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি।  ‘পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার’ অভিযোগে পুলিশের দায়েরকৃত একটি মামলায় মঙ্গলবার সাকলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।

তবে এর প্রতিবাদে গণমাধ্যমে পাঠানো এর বিবৃতিতে সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর সভাপতি নাসিম হোসাইন, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, জেলা সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী বলেন, ‘সিলেট নির্বাচনের পূর্বে গত ২১ জুলাই রায় ছিনিয়ে নেয়ার অপচেষ্ঠা হিসেবে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকালে দুই কর্মীকে আটকের পর তাদের মুক্তির দাবীতে এসএমপির উপ-পুলিশ কমিশনারের (দক্ষিণ) সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করেন সিলেট বিএনপির নেতৃবৃন্দ।  পরে এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের আজ্ঞাবহ পুলিশ নির্বাচনে গনগণের রায় ছিনিয়ে নেয়ার অপচেষ্ঠার অংশ হিসেবে সিলেট বিএনপির নেতৃবৃন্দকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।  শাহপরান থানা, জিআর মামলা নং ১২৭/২০১৮। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আলী আহমদ মঙ্গলবার মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া তা নামঞ্জুর করে আলী আহমদকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ অবিলম্বে পুলিশের এসব ‘হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার ও আলী আহমদসহ কারাগারে আটক বিএনপির সকল নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন- ‘আলী আহমদকে কারাগারে আটকে রেখে জনগণের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন থামিয়ে রাখা যাবে। বরং তা আরো বেগবান হবে। এ বাকশালী সরকারের পতনের আর বেশি দিন সময় নেই। জনগণ তাদের আস্তকুড়ে ছুড়ে ফেলবে।’

অপর এক যুক্ত বিবৃতিতে সিলেট জেলার আওতাধীন ১৩টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভা বিএনপির নেতবৃন্দ আলী আহমদকে পুলিশের হয়রানীমূলক গায়েবী মামলায় কারাগারে প্রেরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নিঃশত মুক্তির দাবী জানান। বিবৃতি দেয়া নেতৃবৃন্দ হলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, বালাগঞ্জ উপজেলা সভাপতি কামরুল হুদা জায়গীরদার, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, বিশ্বনাথ উপজেলা সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া, ওসমানীনগর উপজেলা সভাপতি সৈয়দ মোতাহির আলী চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক তাজ মো. ফখর উদ্দিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা সভাপতি সভাপতি ওসমান গণি, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বপন, জৈন্তাপুর উপজেলা সভাপতি এনায়েত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি সুফিয়ানুল করিম চৌধুরী চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমদ নিহার, কানাইঘাট উপজেলা সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, জকিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হেলাল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, বিয়ানীবাজার উপজেলা সভাপতি নাজমুল হোসেন, পুতুল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. আব্দুল গফুর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নোমান উদ্দিন মুরাদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, বিয়ানীবাজার পৌর সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রুমেল, গোলাপগঞ্জ পৌর সভাপতি মুসিকুর রহমান মহি, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কানাইঘাট পৌর সভাপতি শরিফুল হক, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ডিপজল, জকিগঞ্জ পৌর সভাপতি আব্দুল জলিল ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম।

শেয়ার করুন