ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি

 

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: অবৈধ সরকারের অন্যায় আর জুলুমের শিকার হয়ে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তাকে সব অধিকার থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি তাকে সুচিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশ এখন জুলুমের গ্যাসচেম্বারে পরিণত করা হয়েছে। তিনি ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলাগুলো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উস্কানি ও সহিংসতার মিথ্যা অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ৫১টি মামলায় প্রায় শ’খানেক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে ওই মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। এরপর তাদের পাঠানো হচ্ছে জেলখানায়।

ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বিনা চিকিৎসায় মরণাপন্ন অবস্থা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের পরিচালক কোনক্রমেই শিমুল বিশ্বাসকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করছেন না। নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিএসএমএমইউ-এর কর্তৃপক্ষ নির্বিকার।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, এবিএম মোশারফ হোসেন, আব্দুস সালাম আজাদ, মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলাগুলো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উস্কানি ও সহিংসতার মিথ্যা অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ৫১টি মামলায় প্রায় শ’খানেক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে ওই মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। এরপর তাদের পাঠানো হচ্ছে জেলখানায়।

ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বিনা চিকিৎসায় মরণাপন্ন অবস্থা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের পরিচালক কোনক্রমেই শিমুল বিশ্বাসকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করছেন না। নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিএসএমএমইউ-এর কর্তৃপক্ষ নির্বিকার।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, এবিএম মোশারফ হোসেন, আব্দুস সালাম আজাদ, মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন