ইভিএম নিয়ে একজনের আপত্তিকে বাধা মনে করছেন না কাদের

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: ইভিএম নিয়ে একজন নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিকে কোন বাধা মনে করছেন না আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন,“নির্বাচন কমিশন তো পাঁচজনকে নিয়ে। পাঁচজনের মধ্যে একজন নোট অফ ডিসেন্ট দিতেই পারেন। ভিন্নমত থাকতেই পারে। এটাই তো গণতন্ত্রের বিউটি। এতে বোঝা যায় ইসিতে গণতন্ত্র আছে।

শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউজের বিফ্রিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন তিনি। বিএনপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে অনিয়ম ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলতে পারবে না বলেই ইভিএম চাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার করতেই আমরা ইভিএম সাপোর্ট করি। নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের ‘খারাপ ধারণা’ দূর করতে ইভিএম দরকার। ইভিএম হচ্ছে আধুনিক ভোটিং পদ্ধতি। সিলেটেও বিএনপি দু’টি ইভিএমের কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। তারা জিতলে মানবে আর হারলেই কারচুপির অভিযোগ তুলবে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারবে না বলেই নানা অভিযোগ দিচ্ছে তারা।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সুযোগ রাখার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের উদ্যোগ নিতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন।

বৈঠকে ইভিএম নিয়ে আপত্তি জানিয়ে সভা বর্জন করেন নিবাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তবে অন্য তিন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে বৈঠক চালিয়ে যান সিইসি নূরুল হুদা।

নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির দাবির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে কাদের বলেন, “যাদের শক্তি, সামর্থ আছে, জনগণের প্রতি আস্থা আছে, জন সমর্থনের ব্যাপারে যারা কনফিডেন্ট, তারা এত শর্ত আরোপ করে না।”

সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, একেএম এনামূল হক শামীম, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

শেয়ার করুন