ইউএস-বাংলা দুর্ঘটনা: সেনা কল্যাণ সংস্থার ইনস্যুরেন্সের টাকা প্রদান

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে সেনা কল্যাণ সংস্থার ইনস্যুরেন্সের টাকা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (০৬ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর নিউ ডিওএইচএস এলাকায় অবস্থিত রাওয়া ক্লাবের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই অর্থ প্রদান করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ হতে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে সেনা কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফিরোজ হাসান নিহত ও আহত বিমান যাত্রীদের পরিবারবর্গের সদস্যদের চেক প্রদানের মাধ্যমে বীমার অর্থ হস্তান্তর করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনা কল্যাণসংস্থার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সেনা কল্যাণ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড বিগত তিন বছর ধরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বীমাকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। যেহেতু সেনা কল্যাণ সংস্থা একটি কল্যাণমুখী সংস্থা তাই ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে কাজ করা সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক কার্যক্রম শুরু করে। মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ ও তা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সঠিকভাবে বিতরণের লক্ষ্যে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও কোম্পানির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণ নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

দুর্ঘটনায় ইউএস বাংলার বিমানটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। সার্ভেয়ার কোম্পানির রিপোর্ট অনুযায়ী বিমানটির ‘Hull’ মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে (7 Million US Dollar)। যা থেকে ইতোমধ্যে ৬.৭ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সকে প্রদান করা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারবর্গকে বীমার অর্থ প্রদান করাই ছিল সেনা কল্যাণ সংস্থার প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে প্রচলিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়মকানুন অনুযায়ী বাংলাদেশ ও নেপালের সংশ্লিষ্ট ‘Case Laws’ ইত্যাদি বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক সার্ভে প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ অনুযায়ী প্রত্যেক নিহত যাত্রীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করা হবে।

প্রত্যেক নিহত যাত্রীর ক্ষেত্রে নূন্যতম ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ডলারের সমপরিমাণ অর্থ। আহত যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ নিরূপিত হতে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির উপর নির্ভর করে ।

শেয়ার করুন