আফগানদের সিরিজ উপহার দিল টাইগাররা

স্পোর্টস রিপোর্টার : আশংকাটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়ে গেল! সদ্য টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্ত আফগানিস্তানের কাছে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হেরে বসল সাকিব আল হাসানের দল। বল হাতে জাদু দেখালেন ৪ উইকেট নেওয়া রশিদ খান। আর সামিউল্লাহ-নবিদের ব্যাটে বাংলাদেশের দেওয়া ১৩৫ রানের টার্গেটে ১৮.১ ওভারেই পৌঁছে গেল আফগানরা। সর্বোচ্চ ৪৯ রান করলেন সামিউল্লাহ। ৪৮ বলে ৪৩ রান করা তামিম ইকবাল বাংলাদেশের সেরা স্কোরার।

সিরিজ নিশ্চিত করার ম্যাচে ১৩৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে যথারীতি ভালো শুরু করে আফগানিস্তান। ১৪ বলে ২৪ রান করা শাহজাদকে এলবিডাব্লিউ করে ৩৮ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন রনি। এরপর উসমান ঘানিকে (২১) সৌম্যর তালুবন্দি করেন রুবেল। মোসাদ্দেকে বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৪১ বলে ২ চার ৩ ছক্কায় ৪৯ রান করেন সামিউল্লাহ শেনওয়ারি। অধিনায়ক আসগর স্তানিকজাইও (৪) মোসাদ্দেকের শিকার হন। এরপর ১৫ অপরাজিত ৩১ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান অল-রাউন্ডার মোহাম্মদ নবি।

এর আগে আজ মঙ্গলবার দেরাদুনের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজর দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান করে বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতেই শাপুর জারদানের করা দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে রশিদ খানের তালুবন্দি হন আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা লিটন দাস (১)। দলীয় ৩০ রানে তিন নম্বরে প্রমোশন পাওয়া সাব্বির উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন নবিকে। ৯ বলে ১৩ রান করে ধরা পড়েন সামিউল্লাহ শেনওয়ারির হাতে।

এরপর তামিমের সঙ্গে জুটি গড়েন মুশফিক। নবীর দ্বিতীয় শিকার হয়ে মুশফিক (২২) ফিরলে ভাঙে ৩১ বলে ৪৫ রানের জুটি। নবিকে ছক্কা মেরে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিলেন মাহমুদ উল্লাহ। কিন্তু ১৪ রান করে করিম জানাতের শিকার হন তিনি। আধিনায়ক সাকিব ৬ নম্বরে নেমে কিছুই করতে পারেননি। ‘আতংক’ হয়ে থাকা রশিদ খানের ঘূর্ণিতে ফিরেন ৩ রানে। দলের রান তখন ১০১। চতুর্থ বলে ৪৮ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করা তামিম ইকবালকে বোল্ড করে দেন রশিদ। তার পঞ্চম বলে ‘ডাক’ মেরে ফিরেন মোসাদ্দেক।

এই স্পিন জাদুকরের চতুর্থ শিকারে পরিণত হন সৌম্য সরকার। ৭ নম্বরে নেমে ৯ বলে ৩ রান করা সৌম্য আসগর স্তানিকজাইয়ের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ দিকে পেসার আবু হায়দার রনি ব্যাট চালিয়ে খেলে ১৪ বলে ১ চার ২ ছক্কায় ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এই ইনিংসেই ৮ উইকেটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৪ রান তোলে বাংলাদেশ। এক বাউন্ডরাইতে ৩ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন অপু। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন রশিদ।

 

শেয়ার করুন