রাত পোহালেই ভোট খুলনায়

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: সবার দৃষ্টি এখন খুলনায়। খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) পঞ্চম দফা নির্বাচন মঙ্গলবার। সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে রোববার রাত ১২টায়।  নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই ভোটগ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সোমবার দুপুর থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে।

এর আগে কেসিসি নির্বাচনের নিরাপত্তায় রোববার সকাল থেকে নগরীতে ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়। শহরে টহল দিচ্ছে র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা। পুরো শহর এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।

সোমবার দুপুর থেকে মহানগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স থেকে প্রিজাইডিং অফিসারদের নির্বাচনী মালামাল বুঝিয়ে দেন কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী। সন্ধ্যার মধ্যেই সব মালামাল কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে। পুলিশ ও আনসার সদস্যরাও ইতোমধ্যে কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে টহল দিচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ৫৬১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন নারী ভোটার রয়েছেন।

নগরীর ২৪নং ওয়ার্ডের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৭নং ওয়ার্ডের পিটিআই কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) তথ্য মতে, ২৮৯টির মধ্যে ২৩৪টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।

নির্বাচনে পাঁচজন মেয়র, ৩১টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ১৪৮ এবং ১০টি সংরক্ষিত আসনে লড়ছেন ৩৯ জন নারী প্রার্থী। মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত তালুকদার আব্দুল খালেক, বিএনপি মনোনীত নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান মুশফিক, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক ও সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু। তবে, অন্য তিনটি দলের তিন প্রার্থী খুব একটা আলোচনায় নেই। মূলত আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির প্রার্থীর মধ্যেই হচ্ছে কেসিসি মেয়র পদের মূল লড়াই।

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ‘ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি এবং সিলসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম সোমবার দুপুর থেকে ভোটকেন্দ্রে পাঠানো শুরু হয়েছে। ভোটের নিরাপত্তায় বিজিবি ও র‌্যাব-পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে। সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’

শেয়ার করুন