মৌলভীবাজারের মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার উপর

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: টানা ভারী বর্ষণে ও উজানের ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ার কারণে রাজনগর, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৭৬ হেক্টর ফসল ডুবে গেছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য মতে, মনু নদীর পানি কুলাউড়া মনু রেলব্রিজ ও চাঁদনীঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুলাউড়ার মনু রেলব্রীজ এলাকায় বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার এবং চাঁদনীঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে ধলাই নদীর পানি কমলগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার ০ দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রামেন্দ্র চক্রবর্তী জানান, মনু ও ধলাই নদীতে পানি বিপদসীমার উপরে আছে তবে বৃষ্টি বন্ধ হলেই পানি দ্রুত নেমে যাবে। তিনি আরো জানান, ভারতে বৃষ্টি বন্ধ না হলে রাতে আরও পানি বাড়তে পারে।

জেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, হঠাৎ পানি বাড়ার কারণে জেলার রাজনগরে ৫০ হেক্টর, কমলগঞ্জ ৮ হেক্টর, শ্রীমঙ্গলে ১০ হেক্টর এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৮ হেক্টর ফসল প্লাবিত হয়েছে। দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে জেলার প্রতিটি হাওরে তবে জেলার সবচেয়ে বড় বোরো ফসলের ভাণ্ডার হাকালুকিতে শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে।

রাজনগরের কৃষি কর্মকর্তা আজিজুর হক জানান, ধলাই নদীর পানি বাড়ায় তা লাঘাটা ছড়ায় ঢুকে। এতে লাঘাটার পাড় উপচে বুধবার দুপুরে রাজনগরের কামারচাক ইউনিয়নের খাস-ইসলামপুর ও প্রেমনগরে ৫০ হেক্টর ফসল প্লাবিত হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শাহাজান জানান, বৃষ্টি থেমে গেলে দ্রুত পানি নেমে যাবে। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। বোরো ফসলের বেশির ভাগ ইতোমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে।

শেয়ার করুন