নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরেই আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

মিজান আহমদ চৌধুরী  : নিষেধাজ্ঞার কারণে গত দুই বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলা হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। তারা ফিরল ১১তম আসরে এবং জিতে নিল তৃতীয় শিরোপা। শেন ওয়াটসনের অসাধারণ এক সেঞ্চুরিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো তারা।

২০১০ ও ২০১১ সালে টানা শিরোপা জিতেছিল চেন্নাই। রবিবারের ফাইনালে হায়দরাবাদের কাছে তারা ১৭৯ রানের টার্গেট পায়। ৬ উইকেটে ১৭৮ রান করেছিলেন সাকিবরা। কিন্তু ওয়াটসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ১৮.৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৮১ রান করে চেন্নাই।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় চেন্নাই। মাত্র ১৩ রানে শ্রীবৎস গোস্বামীকে ফেরায় তারা। তারপর কেন উইলিয়ামসন ও শিখর ধাওয়ানের ৫১ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে হায়দরাবাদ।

২৫ বলে ২৬ রানে রবীন্দ্র জাদেজার কাছে বোল্ড হন ধাওয়ান। এরপর সাকিব ৩৭ রানের জুটি গড়েন উইলিয়ামসনের সঙ্গে। ৩৬ বলে উইলিয়ামসন ৪৭ রানে আউট হলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান ৩২ রান যোগ করেন ইউসুফকে নিয়ে।

১৫ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ২৩ রানে ব্রাভোর বলে রায়নার ক্যাচ হন সাকিব। শেষ দিকে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের সঙ্গে ইউসুফ ঝড় তোলেন। ৩৪ রান করেন তারা শেষ ৩ ওভারে। চারটি চার ও দুটি ছয়ে ২৫ বলে ৩৫ রানে টিকে ছিলেন ইউসুফ। শেষ বলে ২১ রানে আউট হন ব্র্যাথওয়েট।

চেন্নাইয়ের পক্ষে লুঙ্গি এনগিদি, করন শর্মা, শারদুল ঠাকুর, ডোয়াইন ব্রাভো ও রবীন্দ্র জাদেজা একটি করে উইকেট পান।

১৭৯ রানের জয়েল লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ১৬ রানে ফাফ দু প্লেসি ক্রিজ ছাড়েন। কিন্তু তার রেশ একটুও পড়েনি। সুরেশ রায়নার সঙ্গে ওয়াটসনের ১১৭ রানের ঝড়ো জুটিতে সহজ জয়ের পথে ছুটতে থাকে চেন্নাই। ২৪ বলে ৩২ রানে আউট হন রায়না। এরপর অম্বতি রাইড়ুকে নিয়ে অনবদ্য এক ইনিংস খেলে চেন্নাইকে জেতান ওয়াটসন। ৪৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ছিল তাদের।

ওয়াটসন প্রথম ৫০ রান করেন ৩৩ বলে। সেঞ্চুরির পথে বাকি ৫০ রান করেছেন মাত্র ১৮ বলে। ৫১ বলে ৭ চার ও ৮ ছয়ে আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি করেন ওয়াটসন। ৫৭ বলে ১১ চার ও ৮ ছয়ে ১১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন এই অস্ট্রেলীয় ওপেনার। রাইড়ু খেলছিলেন ১৬ রানে।

 

শেয়ার করুন