কানাইঘাটে মাদ্রাসার নামে চাঁদা সংগ্রহে লাগবে স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: সিলেটের সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন পত্র ছাড়া কেউ মাদ্রাসার নামে চাঁদা সংগ্রহ করতে পারবে না। এক্ষেত্রে কেউ ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনটি জানিয়েছেন উপজেলার ৫নং বড়চতুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসাইন চতুলী।

তিনি জানান, সম্প্রতি লক্ষ করা গেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অগোচরে অনেকে মাদ্রাসা-মসজিদের নামে চাঁদা সংগ্রহ করে তা আত্মসাৎ করছে। যা অপরাধের শামীল। এ কারণে গত বুধবার উপজেলার চতুল বাজারে মাদরাসা সমূহের প্রতিনিধি, আলেম সমাজ ও এলাকার শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বিয়ানের সমন্বয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় চাঁদা আদায়ে কতিপয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।’

এছাড়া ছদ্মবেশী সন্দিহান ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরী করা এবং এই পূণ্যময় কাজকে যারা কলুষিত করছে তাদের কাছে মাদরাসার রশিদ বই না দেয়ার জন্য মুহতামিম সাহেবানগণকে সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নীতিমালার মধ্যে আরো রয়েছে- মাদরাসার চাঁদা কালেকশনকারী ব্যক্তির জন্য মাদরাসার প্যাডে কমিটির অনুমোদন পত্র এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহোদয়ের প্রত্যয়ন পত্র থাকতে হবে। অনুমোদনপত্র ছাড়া কেউ এলাকার বাহিরে চাঁদা কালেকশনে যেতে পারবেন না। অনুমোদনপত্র ছাড়া কেউ চাঁদা কালেকশনে গেলে দশ হাজার টাকা জরিবানা করা হবে। এরকম কোনো ব্যক্তি পাওয়া গেলে পুলিশে খবর দিতে সকলের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যেহেতু কওমি মাদ্রাসার দানই তাদের একমাত্র আয়ের উৎস এবং কওমি মাদরাসার দ্বারাই দ্বীন ইসলাম সঠিক অবস্থায় ঠিকে আছে তাই দ্বীন-ধর্ম সঠিক ভাবে টিকিয়ে রাখতে হলে সকলকে দান-খয়রাতের হাত আরো সম্প্রসারিত করতে হবে। কিন্তু চাঁদা প্রদানের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজন, যাতে সকলের দান সঠিক ভাবে কাজে লাগে। তারা স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন পত্র ছাড়া কারো কাছে চাঁদা দিয়ে প্রতারণার স্বীকার না হওয়ার অনুরোধ জানান।

শেয়ার করুন