সিলেটে শিশুতোষ চলচ্চিত্র উৎসব ২০ ও ২১ এপ্রিল

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে নির্মাতা রহমান মনি’র আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ৫টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে গণসাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মৃত্তিকায় মহাকাল’-এর উদ্যোগে আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল শিশুতোষ চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৮-এর পর্দা উঠবে।

আয়োজকরা জানান, ২০ এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ২.৩০ মিনিটে সিলেটের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করবেন। সকল শ্রেণির মানুষদেরকে বিশেষ করে শিশুদের সুস্থ সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করা এবং সমাজের প্রতিবন্ধকতা, কুসংস্কার দূরীকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৮-এ সিলেটের বিভিন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্র উপভোগ করবেন।

উল্লেখ্য, রহমান মনি’র আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলো বিশ্বর ৯টিরও বেশি দেশে প্রদর্শিত হয়েছে।

প্রথমদিন শিশুতোষ চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনীর পর বিকাল ৩টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত ৭০ মিনিট করে ধারাবাহিক ভাবে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। প্রথম দিনে সিলেটের বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ সকল শ্রেণির দর্শকরা সেটা উপভোগ করবেন।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ২১ এপ্রিল সকাল ১১ টায় শুরু হওয়া প্রদর্শনী উৎসবে আনন্দনিকেতন স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট উইমেন্স মডেল কলেজ, স্কলার্সহোম, সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সিলেটের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও চলচ্চিত্র প্রদর্শন উৎসবে যোগদান করবেন। এদিনও চলচ্চিত্র প্রদর্শন রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে।

এছাড়া উৎসবে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্রগুলো দেখে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং র‌্যাফল ড্র’র মাধ্যমে বিজয়ীদেরকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। কুইজে, প্রদর্শিত চলচ্চিত্র থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

উৎসবে রহমান মনি’র আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ৫টি প্রদর্শিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র হল: আয়মন: সামাজিক রীতিনীতি ও কুসংস্কারের বেড়াজালে আবদ্ধ সাত বছরের ছোট্ট একটি বালিকার কল্পনার পিতা আর বাস্তব পিতা বিপরীত, নীরব ক্ষমা: মানুষ, প্রকৃতি আর পশুপ্রেমের অনন্য গল্পে অন্যায়ের প্রকাশে মহত্বের উপস্থাপন, সি ইউ এগেইন: ছদ্মবেশীর ঘটনায় বাক্সবন্দি ইহকাল আর পরকালের ধ্রুপদি গল্প, দি পুশকিডস: বাস্তবতার কষাঘাতে আবদ্ধ ঠেলাশিশুর সংগ্রামী জীবনের প্রতিচ্ছবি এবং পনাতীর্থ: বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহাবস্থান, সম্প্রীতি আর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

একটি সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা অনুধাবন করে চলচ্চিত্র উৎসবে উপস্থিত থাকার জন্য সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং সুশীল সমাজের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন নির্মাতা রহমান মনি।

শেয়ার করুন