বর্ষবরণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ খেলাফত মজলিসের

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: নেই পান্তা-ইলিশের আয়োজন; নেই রঙ মাখানো কিংবা বাদ্যের তালে তালে আনন্দ উল্লাস। তবুও বর্ষবরণের দিনে আনন্দে মেতেছিলেন একঝাঁক সৃজনশীল মানুষ। তারা পহেলা বৈশাখের দিনটি কাটিয়েছেন হতদরিদ্র আর অসহায়দের নিয়ে। দৃষ্টিনন্দন অনুষ্ঠান না হলেও দরিদ্র অসহায়দের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টায় মত্ত ছিলেন তারা।

শনিবার পহেলা বৈশাখের দিনে যখন সকলেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ঘুরে আনন্দ উল্লাসে ব্যস্ত ছিলেন তখন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন দুই উপজেলার খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব দিলওয়ার হোসাইনের নেতৃত্বে এই ব্যতিক্রম আয়োজনের অংশ হিসেবে এতিম, হতদরিদ্র এবং অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয় মিষ্টান্ন সামগ্রীও।

একই সাথে তেতলী বড় বেটুয়ার মুখ গ্রামে সদ্য প্রয়াত সংগঠনের কর্মী নজরুল ইসলামের হতদরিদ্র গৃহহীন পরিবারের জন্য একটি পাকাঘর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপণ করা হয়। এছাড়া যুক্তরাজ্য প্রবাসী মাওলানা রশিদ আহমদের অর্থায়নে বিভিন্ন স্থানে  নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়।

এ সম্পর্কে খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব দিলওয়ার হোসাইন বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সারাদেশে ব্যাপকভাবে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এতে দেশে আনন্দের বন্যা বইলেও হতদরিদ্র জনগোষ্টি সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকেন। তাদের মুখে হাসি ফুটাতে আমরা ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তাদের সহায়তায় পুরো দিন দুই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।’

দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে  সাংবাদিক এম আহমদ আলী, শ্রমিক মজলিস সিলেট জেলা সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, উপজেলা সহ-সভাপতি মতিউল ইসলাম মতিন, সেক্রেটারি হাবীবুর রহমান আব্দাল, জয়েন সেক্রেটারি হেলাল আহমদ, হা,শরীফ আহমদ, হাফিজ রমিজ উদ্দীন, তেতলী ইউনিয়ন সভাপতি হা, ছিদ্দিক আহমদ, সহসভাপতি মাও,জাহিদ আহমদ, মাও, কবির আহমদ, পংকি মিয়া,তামিম আহমদ, সৈয়দ মুমিনুর রহমান সুমিত, বিলাল আহমদসহ সংগঠনের দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখা ও স্থানীয় ইউনিয়ন শাখা ও ওয়ার্ড শাখা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন