‘সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কৃমিনাশক খাওয়ানোর আহবান’

জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে সিটি কর্পোরেশনে সভা

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে বুধবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনে এক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহিনূর ইয়াসমীন ঝর্ণা।

অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ধ্রুব পুরকায়স্থ, সিলেট সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহমদ সিরাজুম মুনির, সিলেট সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চক্রবর্তী, জেলা শিক্ষা অফিসার কার্যালয়ের মনিটরিং অফিসার মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসাইন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে এসএসকেএস, মেরী স্টোপস, ব্র্যাক, এফপিএবি সহ বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কাউন্সিলর কুহিনূর ইয়াসমীন ঝর্ণা আগামী ২ থেকে ৮ এপ্রিল জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন- ‘শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের অন্যতম বাধা কৃমি। তাই সুস্থভাবে শিশুদের বেড়ে উঠার জন্য কৃমি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এ জন্য কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল করতে হবে। ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের কেউ যাতে কৃমি নাশক ট্যাবলেট সেবন থেকে বঞ্চিত না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি জানান, সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্পোরেশন এলাকার সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল, মাদ্রাসা, মক্তবসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃমিনাশক ট্যাবলেট পৌঁছে দেবেন।’

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহমদ সিরাজুম মুনির ভরাপেটে বাচ্চাদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন- খালি পেটে কৃমিনাশক খেলে বমিভাব হতে পারে। এছাড়া যেসব বাচ্চার পেটে অনেক বেশি কৃমি রয়েছে তাদেরও কিছুটা বমিভাব হতে পারে। তবে এতে ভয়ের কিছু নেই। কিছুক্ষণ পরই বমিভাব চলে যাবে। সরকারি উদ্যোগে প্রতি ৬ মাস পরপর শিশুদের কৃমিনাশক খাওয়ানো হচ্ছে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য পরিদর্শক ভূপাল রঞ্জন চন্দ্র উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন