জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেলে শোকের ছায়া

তিন দিনের শোক কর্মসূচি

ব্রিফ করছেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: আবেদ হোসেন

আব্দুল্লাহ আল নোমান, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ থেকে: নেপালের কাঠমন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের যাত্রী সিলেটের রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর সকলেই নিহত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ ধারণা করছেন । এদের মধ্যে ১১জন ছাত্রী ও দুইজন ছাত্র রয়েছেন। এ ঘটনায় কলেজ ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের খোঁজ খবর নিতে কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ছুটে আসেন ক্যাম্পাসে।

বিমানযাত্রী জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেলের কয়েকজন শিক্ষার্থী-ছবি সিলেটের সকাল

তারা সকলেই নেপালের নাগরিক। চুড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা শেষ হওয়ায় তারা ছুটি কাটাতে নিজ দেশে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাদের এখনও কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

বিমানযাত্রী এক ছাত্রী

শিক্ষার্থীরা হচ্ছেন- ১৯তম ব্যাচের সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, শামিরা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিঞ্চি ধনি।

জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া রাবেয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আবেদ হোসেন বলেন, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানে আমাদের ১৩জন শিক্ষার্থীর সকলেই সম্ভবত নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক তথ্যে তারা জেনেছেন।

তিনি বলেন, চুড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশের জন্য দুই মাসের মতো সময় লাগে। সাধারণ রেজাল্ট বের হওয়ার আগ পর্যন্ত কোন এসাইনমেন্ট থাকে না। তাই ওই সময়ে সকলেই নিজেদের বাড়িতে চলে যায়। নেপালের শিক্ষার্থীরাও গতকাল রোববার ঢাকা হয়ে তাদের দেশে যাচ্ছিলো।

বিমানযাত্রী নেপালী এক ছাত্র

তিনি আরও জানান, আমরা নেপালি অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। একই সাথে তাদের দূতাবাসের সাথেও যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে সকলেই নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করছেন তারা।

এদিকে ওই মেডিকেলে ২৫০জন নেপালি নাগরিক পড়ছেন।

বিমানযাত্রী রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ নেপালী ছাত্র-ছাত্রী

এদিকে, মর্মান্তিক এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে-কলেজের পতাকা অর্ধনমিত রাখা,  ক্লাস সাসপেন্ড ও কালো ব্যাজ ধারণ।

 

শেয়ার করুন