কানাইঘাটে জনতার হাতে পল্লী বিদ্যুতের পরিচালক আটক

কানাইঘাট(সিলেট) থেকে সংবাদদাতা ঃ কানাইঘাটে অবৈধ পন্থায় বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তর করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন এলাকা পরিচালক মোঃ আলমগীর কবির। এ ঘটনায় সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর এজিএম (প্রশাসন) মোঃ আব্দুল হক আলমগীর কবিরকে আসামী করে ঐদিন রাতে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। থানার মামলা নং- ৯।
জানা যায়, সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ৫নং এলাকা পরিচালক মোঃ আলমগীর কবির অবৈধ ভাবে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের অনুমতি না নিয়ে বিদ্যুতের ট্র্যান্সফরমার সহ খুঁটি সরাতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হন। গত রোববার রাত অনুমান ৮টায় সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২, দরবস্ত এর আওতাধীন কানাইঘাট জোনাল অফিস সংলগ্ন মহিলা কলেজের পাশে নছিরুল হকের বাড়ির সামনের বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার সহ একটি খুঁটি অবৈধ পন্থায় কয়েক জন শ্রমিক নিয়ে তিনি স্থানান্তরিত করেন। এতে ঘন্টা খানিক বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। একপর্যায় স্থানীয় জনতা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে ট্রান্সফরমার সহ খুঁটি সরানোর সংবাদ পেয়ে আলমগীর কবিরকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আলমগীর কবিরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় উপস্থিত জনতা অভিযোগ করেন ‘বড় অংকের টাকার বিনিময়ে’ পরিচালক আলমগীর কবির চুক্তি করে ট্রান্সফরমার সহ খুঁটি স্থানান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। তিনি কয়েক বছর থেকে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ৫নং এলাকার পরিচালকের দায়িত্ব নেন। এর পূর্বেও বিনা নির্বাচনে ঐ পদে থাকায় আলমগীর কবির পল্লীবিদ্যুতের সকল বিভাগে র্দুনীতি করে আসছেন। এ বিষয়ে কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম জানান, পরিচালক আলমগীর কবির সম্পূর্ণ নিয়ম বর্হিভূত কাজ করেছেন যা তার ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট। এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়া জানান, নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

শেয়ার করুন