কোম্পানীগঞ্জে ইলেকট্রনিক্স সিটিতে আইটি বিজনেস সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আজ

সিলেটের সকাল রিপোর্ট ॥ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে দেশের প্রথম ইলেকট্রনিক্স সিটি’ ‘হাই-টেক পার্ক’-এর আইটি বিজনেস সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আজ রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ এমপি উপস্থিত থেকে আইটি বিজনেস সেন্টারের পাশাপাশি একটি ব্রিজ নির্মাণ কাজেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে হাই-টেক শিল্পের বিকাশ, মৌলিক অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স সিটি তথা- হার্ডওয়্যার শিল্প প্রতিষ্ঠা করা, আইটি/আইটিইএস শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং সংশ্লিষ্ট কার্য পরিচালনার জন্য বিদেশী কোম্পানী আকৃষ্ট করতে সহায়ক পরিবেশ তৈরীর জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ‘হাই-টেক পার্ক, সিলেট-এর প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্প।
গত বছরের ৮ মার্চ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এ প্রকল্পটি অনুমোদন করে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পীর আওলিয়ার পুণ্যভূমি খ্যাত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত সিলেটে আন্তর্জাতিক মানসম্মত এই হাই-টেক পার্ক গড়ে ওঠার পর ওই পার্কে জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে প্রায় ৫০হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে; যা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ‘হাই-টেক পার্ক, সিলেট প্রকল্পটি প্রায় ১৬২.৮৩ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন, দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনের প্রায় ৩১,০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট আইটি বিজনেস সেন্টার, সিলেট কোম্পানীগঞ্জ প্রধান সড়ক হতে প্রকল্পে প্রবেশের জন্য বিদ্যমান খালের উপর একটি ক্যাবল ব্রিজ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, গ্যাস লাইন স্থাপন এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। নির্মাণাধীণ আইটি বিজনেস সেন্টারটির নির্মাণ কাজ শেষে আগ্রহী বিভিন্ন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান করা হবে। এ ছাড়াও এ ইলেকট্রনিক্স সিটিটি সফলভাবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন সহায়ক অবকাঠামো উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ, গেইট, প্রধান রাস্তা, স্ট্রিট লাইটিং, ইউলিটিস ভবন, গভীর নলকূপ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, ড্রেন এবং ৩৩/১১ কেভিএ বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের উপাদানগুলো নির্মাণের পরিকল্পনাধীন রয়েছে। জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্প চলতি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে।

 

শেয়ার করুন