আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিতে হবে: কলিম উদ্দিন মিলন

ছাতক প্রতিনিধি :: বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেছেন, ‘সরকারের পরিকল্পনা অনুসারে বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হয়েছে। বিএনপি ও জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে সরকারের নীল নকশার অংশই ছিল তাকে জেলে পাঠানো। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে মিলন বলেন, এখন আর প্রতিবাদ করার সময় নয়-প্রতিশোধ ও প্রতিঘাত করার প্রস্তুতি নিতে হবে।’

শনিবার বিকেলে ছাতক উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে। এসময় পুলিশ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

পৌর বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ তিতুমীরের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপি নেতা শামছুর রহমান শামছুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি নেতা আব্দুর রহমান, দোয়ারা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শামছুল হক নমু, বিএনপি নেতা আলতাবুর রহমান খছরু, এড. মাসুক আলম, নজরুল ইসলাম, হাজী আশিদ আলী, লায়েক শাহ, সামছুর রহমান বাবুল, সায়াদুজ্জামান, কাজী মাও. আব্দুস সামাদ, আতাউর রহমান এমরান, আব্দুল মমিন, কয়েছ আহদ, জাহেদুল ইসলাম আহবাব, মনির উদ্দিন মেম্বার, বাবুল মিয়া মেম্বার, দিল হোসেন মেম্বার, বাকী বিল্লাহ, কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন প্রমুখ।

সভা ও মিছিলে সাজ্জাদ হোসেন, ইমতিয়াজ আলী, সাদিকুর রহমান, আলী হোসেন মানিক, হাজী কদরুল ইসলাম, ক্বারী আছকির আলী, আবুল মিয়া, রুহুল আমিন, শাহজাহান চৌধুরী, হাজী রুহুল আমিন, এড. আব্দুল কাহার, আব্দুল করিম মেম্বার, আলী আশরাফ তাহিদ মেম্বার, মঈনুল হক রাসেল মেম্বার, বাছিত আলম মেম্বার, আব্দুল কাইয়ূম, কমর আলী, শফিক মিয়া, দিদার আলম মেম্বার, কয়ছর আহমদ, আজিজুর রহমান, মেহেদী হাসান সুনা মিয়া, শাহজাহান, পীর ছায়াদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন, আব্দুন নুর, সাবেক কাউন্সিলর ফারুক আহমদ, সুলেমান মিয়া, আতিকুর রহমান, আলমাছ আলী, ওয়ারিছ আলী, সাজাদ মিয়া, খায়ের উদ্দিন, জাহাঙ্গির আলম রাসেল, গয়াস মিয়া তালুকদার, দিলোয়ার হোসেন, আজর আলী মেম্বার, মানিক মিয়া, আবদাল হোসেন, তাজুল ইসলাম তালুকদার, এনামুল হক, শাহ মঈনুল হাসান, যুবদল নেতা এমরান আহমদ, লিজন তালুকদার, কুতুব উদ্দিন, রাসেল আহমদ, তারেক আহমদ, আবুল হোসেন, জয়নাল আবেদীন রফিক, সাহেদ আহমদ, বুলন মিয়া, আসকা মিয়া, সুলতান মাহমুদ, ইব্রাহিম আলী, সায়েদ মিয়া, তাজ উদ্দিন, লকেছ আহমদ, বুরহান উদ্দিন, রবিউল ইসলাম, জহির উদ্দিন, জগলু মিয়া, ফজর আলী, জাহির খান, জামিল আহমদ, মুহিব উদ্দিন, কামরুল হাসান জাহেদ, তোফায়েল খান বিপন, ফখরুল আলম, কামাল উদ্দিন, শ্রমিকদল নেতা চেরাগ আলী, মাহিন চৌধুরী, মোজাম্মেল হক রুহেল, ছাত্রদল নেতা ফয়জুল ইসলাম পাবেল, তোফায়েল আহমদ, আব্দুল মুনিম মামনুন, মকবুল হোসেন, ইজাজুল হক রনি, জাহাঙ্গির আলম, নেয়ামত উল্লাহ, রেজাউল করিম বিপন, ইনাম আহমদ, বাহা উদ্দিন শাহী, আব্দুল মমিন, ইমরান আহমদ, রুকন আহমদ, ইসমাইল হোসেন সানি, হেলাল মিয়া, মোস্তাক আহমদ, ইমন আহমদ, জাহির উদ্দিন, মজনু মিয়া, ফয়ছল আহমদ, তানভির আহমদ, রায়হান মিয়া, ফয়েজ আহমদ, মাছুম মিয়া শিমু, নাজমুল হুদা জুয়েল, আব্দুল্লাহ সানি, মুহিত আহমদ, জসিম উদ্দিন, সালেক আহমদ, মুহিত মিয়া, সাজু মিয়া, নিজাম উদ্দিন, মাহিব আহমদ, বকুল মিয়া, শাওন আহমদ, জুবায়েদ আহমদসহ বিএনপি, যুবদল, শ্রমিকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন