বিশ্বনাথে স্ত্রী হন্তারক স্বামীকে খুঁজছে পুলিশ

নিহত লুবনার দাফন সম্পন্ন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর থেকে পলাতক রয়েছে পাষ- স্বামী হেলাল মিয়া। তাকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

এদিকে, ময়না তদন্ত শেষে শনিবার বিকেল ২টায় নিহতের পিতার বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামে জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে লুবনার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। জানাযার নামাজে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দুই শিশু

অন্যদিকে স্বামীর হাতে নিহত লুবনা বেগমের দুই অবুঝ শিশু আল-আমিন ও নাজিফা বেগমের কান্না আর আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। উপজেলা কাদিপুর গ্রামে নিহতরে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীদের চলছে মাতম। অবুঝ শিশুদের শান্তনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না স্বজনেরা।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের মৃত জহুর আলীর ছেলে হেলাল মিয়া তার স্ত্রী দু’সন্তানের জননী লুবনা বেগমকে গলায় ছুরি দিয়ে খুন করে। প্রায় ১০ বছর পূর্বে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের মরহুম জহুর আলীর পুত্র হেলাল মিয়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দেওকলস ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের মৃত ওয়াহিদ আলীর মেয়ে লুবনা বেগম। হেলাল-লুবনার দাম্পত্য জীবনে আল-আমিন নামের ৯ বছরের এক পুত্র সন্তান ও নাজিফা বেগম নামের সাড়ে ৩ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

ঘটনার পর থেকে হেলাল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করতে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে উপজেলার জানাইয়া গ্রামের হেলালের নিজ বাড়িতে তাৎক্ষণিক অভিযানে চালায় পুলিশ। তবে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, হত্যাকারী হেলাল মিয়াকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত আছে। মামলাও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শেয়ার করুন