টমেটো খেলে সুস্থ ফুসফুস

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যদি প্রতিদিন দুটির বেশি টমেটো খান তাহলে তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণের হার কমে যাবে এবং ফুসফুসজনিত রোগ থেকে তিনি রক্ষা পাবেন। একইভাবে ধূমপান ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তিরা যদি নিয়মিত দুটির বেশি টমেটো খায় তাহলে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুসও সমানভাবে উপকৃত হবে।

গবেষকরা বলছেন, যে ব্যক্তি সুস্থ থাকার জন্য আপেলের মতো দিনে অন্তত তিন ধরনের তাজা ফল খায় আর তাতে তার যে স্বাস্থ্যগত উপকার হয়, দুটির বেশি টমেটোও একই উপকার করবে। বিশেষ করে রোগের কারণে যারা ধূমপান ছেড়েছে, তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুস সুস্থ রাখতে টমেটো অপরিহার্য। যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরের জনহপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষণায় এই পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গবেষক দলটির সহকারী গবেষক ভেনেসা গার্সিয়া লার্সেন এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছেন।গবেষকরা পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, রিচ ফুড খাওয়ার ফলে মানুষের ফুসফুসের কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে। তবে প্রাকৃতিক তাজা ফল ফুসফুসকে তাজা রাখে, কর্মক্ষমতা স্বাভাবিক রাখে। নিয়মিত তাজা ফল খেলে কোনোদিন ধূমপান না করার মতো ফুসফুস ভালো থাকে। ২০০২ সালে ইউরোপের শ্বাসযন্ত্রবিষয়ক একটি জার্নালে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে ফুসফুস রক্ষায় ফলের অপরিহার্যতা দেখতে পান গবেষকরা।

ওই সময় জার্মানি, ইংল্যান্ড ও নরওয়ের ৬৮০ জন ব্যক্তির ওপর গবেষণা চালানো হয়েছিল।   অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্ন-উত্তরের মধ্য দিয়ে দুই ধরনের ফুসফুসের ফাংশন পরীক্ষা করা হয়েছিল। এর ১০ বছর পর আবারও তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা পদ্ধতি ছিল এ রকম—একজন এক সেকেন্ডে কতটুকু শ্বাস ছাড়তে পারছে। আবার একইভাবে ছয় সেকেন্ডে কতটুকু শ্বাস নিতে পারছে।   এই পরীক্ষার আওতায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স, উচ্চতা, ওজন, লিঙ্গ, শারীরিক কার্যক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত খাদ্যাভাস বিশ্লেষণ করে ফুসফুসের সুস্থতা নিরূপণ করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে ফুসফুসের রোগ দেখা যায়। এর মধ্যে যারা টমেটোসহ অন্যান্য ফল খেতে পেরেছিল তাদের ফুসফুস তুলনামূলক ভালো ছিল।

শেয়ার করুন