গণতন্ত্রের ‘ফিনিক্স পাখি‘ খালেদা: সিলেট বিএনপি

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে গণতন্ত্রের ‘ফিনিক্স পাথি’ আখ্যা দিয়ে সিলেট বিএনপির নেতারা বলেছেন, ‘আপোষহীন এক নেত্রী খালেদা জিয়া। তিনি গ্রীক পুরাণের ফিনিক্স পাখির মতোই হারতেই হারতেই জিতে যান। তার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।’

রোববার নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশের বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেছেন। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদে ধ্বংস প্রায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার মহান দায়িত্ব থেকে সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দমিয়ে রাখতেই গ্রেফতারী পরোয়ানা দেয়া হয়েছে। এমন ঘটনায় পুরো জাতি বিক্ষুব্ধ। অবিলম্বে এই ‘ষড়যন্ত্রমুলক’ গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে কোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে দেশপ্রেমিক জনতা প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম এর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন- কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম, মহানগর শাখা সভাপতি নাসিম হোসাইন, সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, সহ-সভাপতি ও প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা সহ-সভাপতি শাহাব উদ্দিন, মহানগর সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি আমির হোসেন, জেলা উপদেষ্টা এডভোকেট এটিএম ফয়েজ, জেলা ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা সাংগঠনিক আবুল কাশেম, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল ইসলাম হাদী ও মুকুল মোর্শেদ, মহানগর প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, মহানগর আইন বিষয়ক সম্পাদক কাউন্সিলর এডভোকেট রোকশানা বেগম শাহনাজ, জেলা সাহিত্য সম্পাদক আ ফ ম কামাল, মহানগর বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক লোকমান আহমদ, জেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল মালেক, জেলা ছাত্রদলের পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক আলী আকবর রাজন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান ও নুর মিয়া, মহানগর সহ-সভাপতি ফাত্তাহ বকশী, মহানগর উপদেষ্ঠা সাঈদুর রহমান বুদুরি, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব কাদির শাহী ও এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব ও মো: ময়নুল হক, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট মো: ফখরুল হক, প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, মহানগর যুব বিষয়ক সম্পাদক মির্জা বেলায়েত হোসেন লিটন, জেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবিব আহমদ চৌধুরী শিলু, মহানগর মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জাহানার ইয়াসমিন গোলাপী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক লায়েছ আহমদ, জেলা যুব বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান, মহানগর শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, জেলা তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এডভোকেট জুবায়ের আহমদ খান, গণ শিক্ষা সম্পাদক সাঈদুর রহমান হিরু, মহানগর পরিবার কল্যান সম্পাদক লল্লিক আহমদ চৌধুরী, জেলা ধর্ম সম্পাদক আল মামুন খান, মহানগর মানবাধিকার সম্পাদক মুফতী নেহাল উদ্দিন, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, শিল্প সম্পাদক আব্দুল হাদী মাসুম, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আব্দুল জব্বার তুতু, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, হাবিবুর রহমান হাবিব ও মুরাদ হোসেন, জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতা এডভোকেট আহমদ রেজা, দিদার ইবনে তাহের লস্কর, বুরহান উদ্দিন, কয়ছর চৌধুরী, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, আমিন উদ্দিন, আব্দুল লতিফ খান, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, রেহানা ফারুক, দেলোয়ার হোসেন জয়, সেলিম আহমদ রনি, নাসিম আহমদ চৌধুরী, এনামুল হক মাক্কু, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, আইয়ুব আলী সজীব, কয়েস আহমদ সাগর, আব্দুর রহিম, মাসুদ এলাহী চৌধুরী, হেলাল আহমদ, আজির উদ্দিন আহমদ, ফয়েজুর রহমান ফয়েজ, শামসুর রহমান শামীম, মোতাহির আলী মাখন, আশরাফ বাহার, শরীফ উদ্দিন মেহেদী, গিয়াস আহমদ মেম্বার, আব্দুস সোবহান, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, শফিক নুর, জসিম উদ্দিন, সালাউদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, জিয়াউর রহিম দিপন, সেলিম খান জালালাবাদী, এম. এ রহিম, আলী হোসেন মুক্তার, আব্দুল্লাহ আল মামুন সামুন, আলমগীর হোসেন, হাসান আহমদ, আক্তার রশীদ চৌধুরী, সাব্বির আহমদ, ফরিদ উদ্দীন, মখলিছ খান, রিয়াজুল হাসান রুহেল, আব্দুল হান্নান, সাহেদুল ইসলাম বাচ্চু, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, শাহ নেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেক, সিরাজ মিয়া, গোলজার আহমদ, মকবুল আলী, জমির মিয়া, আজাদুর রহমান আজাদ, আব্দুল হাই মাসুক, ফয়েজ উদ্দিন, আকবর আলী, সৈয়দ শামসুল ইসলাম, কাউন্সিলার কুহিনুর ইয়াসমিন ঝর্না, এডভোকেট ইকবাল আহমদ, বাবর আহমদ, মোতাহির আলী মাখন, দিলোয়ার হোসেন রানা, ডা. এম.এ হক, রাজু আহমদ চৌধুরী, যুবদল ও ছাত্রদল নেতা মুহিবুর রহমান, কাজী মেরাজ, দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকির, জেহিন আহমদ, লিটন আহমদ, এখলাছুর রহমান মুন্না, ফখরুল ইসলাম রুমেল, কল্লোলজ্যোতি বিশ্বাস জয়, বুরহান আহমদ রাহেল, আব্দুর রউফ, মকসুদুল করিম নোহেল, নাসির উদ্দিন রহিম, লুৎফুর রহমান, আলী আহমদ আলম, সালাউদ্দিন রিমন, সাঈদুর রহমান হৃদয়, আজিজুল হক আরজু, জাকির আহমদ, মঈনুদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, শিহাব খান, মাসরুর রাসেল, আব্দুল করিম জোনাক, সোহেল ইবনে রাজা, সাব্বির আহমদ, আব্দুস সালাম টিপু, ফজলে রাব্বী, কৃষ্ণ ঘোষ, তোফায়েল আহমদ, লিটন আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম লকুছ, আব্দুল মুকিত, সানাউর আরী ভুতু, শিবলু আহমদ, ফয়সল আহমদ, এডভোকেট মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, তানু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, মাসুম আহমদ, রুহেল আহমদ কালাম, আশিকুর রহমান আশিক, ফারুক আহমদ, ফয়েজ আহমদ শিপু, নুরুল ইসলাম লিমন, শাহেদ আহমদ ও আব্দুর রহমান প্রমুখ।

শেয়ার করুন