এম সি কলেজে পক্ষকালব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের পতাকা উত্তোলন

এম সি কলেজ প্রতিনিধি ॥ সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় বিজয়ের মাসে রঙিন হয়ে উঠছে এমসি কলেজ। মঙ্গলবার পুরো ক্যাম্পাস রঙিন সাজে বিজয়ের আভাসে গেয়ে উঠে জাতীয় সংগীত। বিজয়ের ৪৬ বছর ও থিয়েটার মুরারিচাঁদ তাদের ৫ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে পক্ষকালব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার ছিল এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। দুপুর ১২ টা ১ মিনিটে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্মেলক কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে উঠেন। এ সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর নিতাই চন্দ্র চন্দ ও থিয়েটারের পতাকা উত্তোলন করেন শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক মো. তোতিউর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মুহা. হায়াতুল আকঞ্জি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর শামীমা চৌধুরী, পদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল আনাম মো. রিয়াজ, তৌফিক এজদানি চৌধুরী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহনাজ বেগমসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। সাধারণ শিক্ষার্থী ছাড়াও সম্মেলক জাতীয় সংগীতে অংশগ্রহণ করেন মোহনা সাংস্কৃতিক সংগঠন, মুরারিচাঁদ কবিতা পরিষদ, রোভার স্কাউট গ্রুপ, ডিবেট ফেডারেশন (এমসিডিএফ), বিজ্ঞান ক্লাব ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সাংস্কৃতিক উৎসবটি চলবে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। উৎসবে সিলেটের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন পরিবেশনায় অংশ নেবেন। পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন ছন্দ নৃত্যালয়, উদীচী, নগরনাট, নান্দিক নাট্যদল, নাট্যালোক, থিয়েটার সিলেট, থিয়েটার বাংলা, মৃত্তিকায় মহাকাল, নাট্যমঞ্চ, কথাকলি, নৃত্যশৈলী সিলেট। কলেজের সংগঠন থেকে অংশগ্রহণ করবেন রোভার স্কাউট, মোহনা, মুরারিচাঁদ কবিতা পরিষদ। থাকছে থিয়েটার মুরারিচাঁদের নিজস্ব পরিবেশনাগুলো। আগামীকাল বুধবার টিলাগড় পয়েন্টে অবস্থিত স্মৃতিফলকের আশপাশ ও ক্যাম্পাসে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১ টায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশে ‘ইন্টারেক্টিভ থিয়েটার। অডিটোরিয়ামে ১১-১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় থাকছে তিনদিনব্যাপী মঞ্চনাটক প্রদর্শনী। ১৪-১৬ ডিসেম্বর প্রতিদিন বিকাল ৩ টা থেকে রাত পর্যন্ত চলবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদিবস, বিজয়দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এটি কলেজে মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি প্রফেসর নিতাই চন্দ্র চন্দ বলেন, বিজয়ের মহান আনন্দে আমাদের বীর সেনাদের স্মরণ ও দেশ মাতৃকার মায়ায় জেগে থাকতে হবে অহর্নিশ। সম্মেলক কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে আমরা বিজয়ের মাসকে বরণ করে নিলাম।

শেয়ার করুন