এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনায় ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও শাহেদ গ্রেফতার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলের মিরপুরে সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় বাহুবল উপজেলার নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদের সদস্য আলাউর রহমান শাহেদকে ঢাকায় গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জের একদল ডিবি পুলিশ ও ঢাকা ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় ঢাকার কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে।

হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি ও মামলার তদন্তকারী অফিসার শাহ আলম তাদেরকে আটকের কথা স্বীকার করে জানান, পুলিশের বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদেরকে ঢাকার কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১০ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে বাহুবল উপজেলার মিরপুর বেদে পল্লীতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে সরকারী সহযোগিতা প্রদানের লক্ষে এমপি কেয়া চৌধুরীর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে স্থানীয় প্রশাসন। অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষন পর বাহুবল উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মো. তারা মিয়ার সমর্থকরা এমপি কেয়া চৌধুরীকে লাঞ্চিত করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এমপি কেয়া চৌধুরীর অনুসারীরা ঘটনাস্থলে পৌছলে দু’গ্রপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর তাৎক্ষনিকভাবে মিরপুর বাজারে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে কেয়া চৌধুরীর সমর্থকরা। তখন বক্তৃতা দিতে মঞ্চে দাড়ান কেয়া চৌধুরী। এক পর্যায়ে বক্তৃতারত অবস্থায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সাথে সাথে তাকে প্রথমে বাহুবল উপজেলা হাসপাতাল ও পরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় ১৮ নভেম্বর বাহুবল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের সদস্য ও মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী পারভিন আক্তার। মামলায় ভাইস-চেয়ারম্যান মো. তারা মিয়া, উপজেলা পরিষদের সদস্য আলাউর রহমান সাহেদ ও তারা মিয়ার গাড়ি চালক মো. জসিম উদ্দিনকে আসামী করা হয়। এর আগে গাড়ি চালক জসিম উদ্দিন আদালতে আত্নসমপর্ণন করলে তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করা হয়।

শেয়ার করুন