রাজশাহীকে বড় ব্যবধানে হারালো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

স্পোর্টস রিপোর্টার: বল হাতে নেতৃত্ব দিলেন মোহাম্মদ নবি এবং রশিদ খান; আর ব্যাট হাতে জশ বাটলার এবং ইমরুল কায়েস। এই চতুষ্টয়ে রাজশাহী কিংসকে হেসেখেলে হারাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

দ্বিতীয় উইকেটে ৯৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে বাটলার-ইমরুল দলকে ৯ উইকেটের বিশাল জয় এনে দিলেন। বাটলার হাফ সেঞ্চুরি করলেও ৪৪ রানে অপরাজিত রইলেন ইমরুল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস জিতল ২৯ বল বাকী থাকতেই।

১১৬ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে দাপটের সাথেই ইনিংস শুরু করেছিল কুমিল্লা। দলীয় ২৩ রানে লিটন দাসকে বোল্ড করে দেন ফরহাদ রেজা। ২ চার ২ ছক্কায় ১২ বলে এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানেরও সংগ্রহ ছিল ২৩ রান। এরপর জশ বাটলার এবং ইমরুল কায়েস মিলে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন।

৩৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ইংলিশ ক্রিকেটার জশ বাটলার। এই জুটিতেই ৯ উইকেটের বিশাল জয় পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

২৯ বল বাকী থাকতেই ছক্কা মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান ইমরুল কায়েস। ম্যাচ শেষে বাটলার ৫০ এবং ইমরুল ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

আজ রবিবার বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৫ রান তোলে রাজশাহী কিংস। ইনিংসের শুরু থেকেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে তারা। দলীয় ২৩ রানে আগের ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা মুমিনুল হক (২) মোহাম্মদ নবির শিকার হন। পরের ওভারে কোনো রান না করে আল আমিন হোসেনের বলে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন রনি তালুকদার। আফগান স্পিনার রশিদ খানের ঘূর্ণিতে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি।

সবার বিপরীতে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত খেলছিলেন অপর ওপেনার সিমন্স। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার। ২৩ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় ৪০ রান করার পর আহত হয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি রাজশাহী। রশিদ খানের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়ালার (১)। ওয়ালারকে (৭) বোল্ড করে রাজশাহীকে আরও বিপদে ফেলেন ডিজে ব্র্যাভো। শেষ পর্যন্ত ফরহাদ রেজার ৩০ বলে ২৫ আর মোহাম্মদ সামির ১৬ বলে ১০* রানে ১১৫ রানের সংগ্রহ গড়ে মুশফিকুর রহিমের দল।

শেয়ার করুন