পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান ভূটান রাষ্ট্রদূতের

সিলেটের সকাল ডেস্ক ।। ভূটানের রাষ্ট্রদূত মি. সোনম তবদেন রাবগাই বলেছেন- ‘ভূটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, এই বন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে ভূটানের সাথে সিলেট তথা বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার্ক ও বিমসটেকের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও তিনি দুই দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান।’

সোমবার বিকেলে সিলেট রাষ্ট্রদূত মি. সোনম তবদেন রাবগাই ও প্রতিনিধিদলের সাথে সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। চেম্বার কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ।

সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, ভূটানের সাথে বাংলাদেশের চমৎকার বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। ভূটান থেকে তাজা ফল, নির্মাণ সামগ্রী, মসলা ইত্যাদি আমদানী হয়ে থাকে এবং বাংলাদেশ থেকে ভূটানে তৈরী পোষাক, মেলামাইন সামগ্রী, রাসায়নিক পদার্থ, ঔষুধ ইত্যাদি রপ্তানী হয়ে থাকে।

তিনি বলেন- দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশের সাথে ভূটানের বাণিজ্য সম্পর্ক অনেক বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি তিনি দুইটি দেশের মধ্যে পর্যটন শিল্পের বিকাশের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে আয়োজিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভূটান এম্বেসীর কাউন্সেলর মি. কারমা ওয়াংজম, ফার্স্ট সেক্রেটারী মি. দোমাং, সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন, সাবেক সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমদ, পরিচালক মুশফিক জায়গীরদার, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, সদস্য সালেহীন এফ নাহিয়ান, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মো. জিয়াউর রহমান টিটু ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- ভূটান এম্বেসীর কর্মকর্তা মি. টি ওয়াই রাবগাই, মি. কারমা ওয়াংমো, মি. সুকেশ চাকমা, সিলেট চেম্বারের পরিচালক মো. সাহিদুর রহমান, পিন্টু চক্রবর্তী, চন্দন সাহা, আব্দুর রহমান (জামিল), বিশিষ্ট সাংবাদিক মকসুদ আহমদ মকসুদ, দেবাশীষ দেবু, রবি কিরন সিংহ, শংকর দাস, মো. জাহিদুল ইসলাম, পাপ্পু তালুকদার প্রমুখ।

শেয়ার করুন