চলতি মৌসুমের ওমরা কার্যক্রম শুরু

সিলেটের সকাল রিপোর্ট:পবিত্র হজের পর চলতি ১৪৩৯ হিজরি সনের (২০১৭-১৮ সাল) ওমরা কার্যক্রম শুরু করেছে সৌদি আরব সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ দেশ থেকে আগ্রহীদের ওমরায় পাঠাতে প্রস্তুত হচ্ছে বেসরকারি এজেন্সিগুলো।

সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৫ অক্টোবর) প্রথম দফায় ১৭৯ এজেন্সিকে ওমরা কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ওমরা যাত্রা শুরু হতে পারে বলে হাব নেতা মাওলানা ফজলুর রহমান জানিয়েছেন।

জানা গেছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ দেশ থেকে ওমরাযাত্রী পাঠিয়ে থাকে বেসরকারি এজেন্সিগুলো। এক্ষেত্রে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ওমরাসংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর তা হালনাগাদ করে থাকে। পরে অনুমোদিত ওমরা এজেন্সির তালিকা সৌদি দূতাবাসসহ বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে চলতি মৌসুমে লাইসেন্স হালনাগাদ-নবায়ন করার জন্য ওমরা এজেন্সি মালিকদের আবেদন দাখিল করতে নির্দেশনা দেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়। প্রাপ্ত আবেদন থেকেই রোববার প্রথম দফায় অনুমোদিত ১৭৯টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (হজ-২) এস এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত তালিকাটির কপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) অর্থ সচিব মাওলানা ফজলুর রহমান জানান, প্রথম দফায় ১৭৯ এজেন্সিকে ওমরা কার্যক্রমের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখনও অনেক এজেন্সির অনুমোদন বাকি আছে।

তিনি বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো ওমরা কার্যক্রম শুরু করে। এর মধ্যে সৌদি আরবের ব্যাংক গ্যারান্টি নেয়া, ঢাকায় সৌদি দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং সর্বশেষ সৌদিতে ওমরা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন। এসব কাজ করতে অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন লাগবে। সে হিসাবে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ওমরা যাত্রা শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, অনুমোদনের আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সি কর্তৃপক্ষ সারা দেশ থেকে আগ্রহী ওমরাযাত্রীদের পাসপোর্ট সংগ্রহ শুরু করেছে। সৌদির সঙ্গে চুক্তির পরই হোটেল ও বিমান ভাড়ার ভিত্তিতে এজেন্সিগুলো নিজস্ব একাধিক খরচের ওমরা প্যাকেজ ঘোষণা করে। সাধারণত এ প্যাকেজ ১ লাখ টাকার কিছু কম বা বেশি হয়ে থাকে। ফজলুর রহমান আরও বলেন, আগামী বছরের হজযাত্রীদের নির্ধারিত কোটা অনেক আগেই পূর্ণ হয়ে গেছে। যারা এ কোটায় হজে যেতে পারবেন না, তাদের অনেকেই এবার ওমরা আদায় করতে পারেন। তাই আগের চেয়ে এ বছর ওমরাযাত্রীর সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শেয়ার করুন