সুহৃদ সম্মেলনে ভালবাসায় সিক্ত হলেন মোঃ মাহমুদুর রহমান

সিলেটের সকাল ডেস্ক।। সিলেট নগরীর দরগাহ গেইটস্থ মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে সহৃদ সম্মেলনে বিদায়ী সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন ‘নষ্ট সময়ের কষ্ট’ গ্রন্থের লেখক, বিশিষ্ট কলামিস্ট মোঃ মাহমদুর রহমান।

রোববার কৈতর সিলেটের আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার প্রাক্কালে সুহৃদ সম্মিলন অনুষ্ঠানে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনায় দেওয়া হয়। বিশিষ্ট সাংবাদিক-সংগঠক সেলিম আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কবি কালাম আজাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ সাংবাদিক মুহম্মদ বশিরুদ্দিন, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও কবি বেলাল আহমদ চৌধুরী এবং অনুভূতি প্রকাশ করেন সুহৃদ সম্মিলনের মধ্যমণি মোঃ মাহমুদুর রহমান।

সাহিত্যকর্মী তাসলিমা খানম বীথির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক অধ্যাপক কবি বাছিত ইবনে হাবীব, সাংবাদিক মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, এডভোকেট আব্দুল মালিক, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, কবি আবদুল মুকিত অপি এডভোকেট, ব্যাংকার আহমাদ শামসুদ্দিন, ছড়াকার কামরুল আলম, কলামিস্ট আব্দুল হক, কবি কানিজ আমেনা কুদ্দুস, কবি মামুন হোসেন বিলাল, ঔপন্যাসিক আলেয়া রহমান, কবি সিদ্দিক আহমদ, কবি শওকত আখঞ্জী, এম. আলী হোসাইন, নাসির উদ্দিন, কবি মো. আব্দুল বাছিত, কবি তারেক মনোয়ার, কবি মাজহারুল ইসলাম মেনন, শাহিন উদ্দিন, তৌফিক চৌধুরী, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, রায়হান কবির এবং লেখাপাঠে অংশ নেন কবি আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না, মাওলানা শামসীর হারুনুর রশীদ, সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, মাহমুদ শিকদার, জালাল জয়, মীম সুফিয়ান, সংগীত পরিবেশন করেন গীতিকার বাহা উদ্দিন বাহার।

বক্তারা বলেন, মানবসভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা হল অভিবাসী। জীবনের প্রয়োজনে মানুষকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে হয়। মানুষের মূল্যবান জীবনকে কর্মদক্ষতা, সততা, ভালোবাসা, আন্তরিকতার মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করাই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা। বিশিষ্ট লেখক, কলামিস্ট মোঃ মাহমুদুর রহমান যেখানেই থাকুন না কেন দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা তাঁর অটুট থাকবে। বুদ্ধিবৃত্তিকতার চর্চা এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিজেকে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা শামসীর হারুনুর রশীদ।

অনুভূতি ব্যক্ত করে কলামিস্ট মোঃ মাহমুদুর রহমান বলেন, নিজেদের দেশে আমরা কত অসহায়। সব কিছু থেকেও আমাদের দাঁড়ানোর জায়গা নেই। মানুষ তাঁর শেকড়কে কখনো ভুলতে পারে না। যে মাটির ওপর তার সর্বময় পথচলা সেই মাটির টানকে অস্বীকার করা বড় কঠিন কাজ। যেখানেই থাকি না কেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, কৃষ্টি রক্ষার্থে নিজের মেধা এবং কর্মদক্ষতার যথাযথ প্রয়োগের চেষ্ঠা করবো।

সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক-সংগঠক সেলিম আউয়াল বলেন, বিদেশী পাড়ি জমানোকে পজিটিভ হিসেবে নিতে হবে। বিশের প্রতিটি দেশে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা তাদের নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রদর্শন করে বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছেন। দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করলে সমাজ ও দেশের কল্যাণ সাধিত হবে।

শেয়ার করুন