‘সালমান শাহ্‌ হত্যায় সামিরার পরিবার ও আমার স্বামী জড়িত’: আসামীর স্বীকারোক্তি (ভিডিও)

সিলেটের সকাল ডেস্ক ।।  সালমান শাহ্‌ জীবিত থাকা অবস্থায় রুবি নামের এই নারীকে অ্যান্টি বলে ডাকতেন। তার বিউটি পার্লারের দোকান ছিল। সালমান শাহ্‌ আর তার স্ত্রী সামিরার সাথে এই নারীর বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল।

সালমান শাহ্‌ মারা যাওয়া পর অন্য সবার মতো রুবিকেও পুলিশ সন্দেহ করে, যদিও উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে তখন কিছুই করা যায়নি। তবে সালমান শাহ্‌র ভক্ত থেকে সবারই মোটামুটি ধারণা ছিল, এই নারী কিছু না কিছু জানেন সালমানের মৃত্যুর ব্যাপারে।

সালমান মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি বিদেশে আছেন। সেখান থেকে অনেকবার বিভিন্ন ভিডিওতে বলেছেন যে তিনি নির্দোষ, কিছু জানেন না। সালমান নাকি আত্মহত্যা করেছিলেন।

তবে গতকালকে হুট করে একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি, যেখানে তিনি খুব ভয়ের সাথে বলছেন যে সালমানকে খুন করা হয়েছিল।

সামিরার ফ্যামিলি আর রুবির স্বামী এই খুনের সাথে জড়িত। তিনি বলেন, তার স্বামী চীনা নাগরিক চ্যান লিং চ্যান ওরফে জন চ্যান (ধানমন্ডির সাংহাই রেস্টুরেন্টের মালিক) জড়িত আছেন । এ হত্যারও বিচার চান তিনি।

তিনি জানান তাকেও খুব জলদি মেরে ফেলা হবে কারণ তিনিই নাকি একমাত্র জীবিত মানুষ যার কাছে প্রমাণ আছে যে সালমানকে খুন করা হয়েছে, তিনি আত্মহত্যা করেননি। তিনি সালমান শাহের মা (নীলা চৌধুরী) এর সাহায্য চেয়েছেন।

ওই মৃত্যুর ২১ বছর পর রুবি তার ভিডিওতে বারবার বলেছেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, তাকে খুন করা হইছে।’ সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, ‘প্লিজ কিছু একটা করেন, কিছু একটা করেন।’

উল্লেখ্য, বাংলা চলচ্চিত্রে তোলপাড় ফেলা নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানান তার স্ত্রী সামিরা। কিন্তু সালমান শাহের পরিবার একে হত্যা বলে আসছিল। সম্প্রতি মামলাটি আবার পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। এবং এই মুহূর্তে রাবেয়া সুলতানা রুবি নামের ওই নারীর দুই মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

শেয়ার করুন