সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া

সিলেটের সকাল ডেস্ক : জাতীয় সংসদে ২০১৭-২০১৮ সালের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে বাস্তবমুখী, সময়োপযোগী ও ব্যবসা-বাণিজ্য বান্ধব বলে মনে করেছে দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি।

আজ শনিবার সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মো. লায়েছ উদ্দিন ও সহ সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত ৪ লক্ষ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট সরকারের উন্নয়নমুখী চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটায়। শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ ৬৫ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেশের মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর সিলেটবাসীর জন্য নব অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
পাশাপাশি পরিবহন ও যোগাযোগ, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ এবং কৃষি খাতে বরাদ্দ ও সরকারী ভর্তূকি বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প ও উৎপাদনমুখী খাতের বিকাশ ঘটবে। বাজেটে বার্ষিক ৩৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের ক্ষেত্রে ভ্যাট মওকুফ করায় ব্যবসায়ী ও করদাতাদের মধ্যে উৎসাহ, উদ্দীপনা বৃদ্ধি পাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষার নিমিত্তে কিছু কিছু আমদানী পণ্যের উপর সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা সরকারের দূরদর্শিতার প্রমাণ বলে উল্লেখ করা হয়। এতে দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, ভোজ্য তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দ্রব্যের মূল্য হ্রাসের বিষয়টি জনজীবনের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। ঘোষিত বাজেটে পল্লী ও হাওর অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ইত্যাদি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করায় বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল সমূহের উন্নয়নের পাশাপাশি জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই বাজেট সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে এই বাজেট দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।
সভায় সংসদে ১১ বারের মতো বাজেট পেশ করায় অর্থমন্ত্রী আব্দুল মুহিতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের মন্ত্রীবর্গ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

শেয়ার করুন