কায়েস্থরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

kabir-photoসিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিয়া উদ্দিন আহমদ কায়েস্থরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী ও পরিচালনা পরিষদের ভূয়শি প্রশংসা করে বলেছেন, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় যে সাফল্যমন্ডিত ফলাফল অর্জিত হয়েছে এ ধারা ধরে রাখতে হবে। ১৪টি জিপিএ-৫ সহ শতভাগ কৃতকার্য নিঃসন্দেহে প্রশসংসার দাবিদার। তিনি বলেন, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতার দিক দিয়েও এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য শিক্ষকমন্ডলীর পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।

বুধবার সকালে কায়েস্থরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আয়োজিত ২০১৬ সালে অনুুষ্ঠিত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় কৃতকার্য বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক সোমা দে’র পরিচালনায় সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সানাউল হক সানী ও মুসলেমা বেগম এবং ডা. আব্দুল হাই। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কায়েস্থরাইল উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমদ, শিক্ষক অভিভাবক কল্যাণ কমিটির সভাপতি শওকত আলী, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও দৈনিক সংগ্রাম সিলেটের ব্যুরো প্রধান কবির আহমদ, খোজারখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুজ্জামান ও অভিভাবক শাহিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুরুল জান্নাত রিপা।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সহসভাপতি জুয়েল আহমদ, জালালীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা দত্ত কাননগো, কুতুব জালাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমন তালুকদার, কুচাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন, চান্দাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিল্পী রানী দাস।

অনুষ্ঠানে কৃতকার্য শিক্ষার্থীর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো প্রধান শিক্ষক রুহুল জান্নাত রিপার পক্ষ থেকে যাচাই বাছাইর মাধ্যমে বিদ্যালয়ে দুজন শিক্ষককে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। প্রতি বছর এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন