প্রাচীন গ্রিসে ‘ল্যাপটপ’?

প্রযুক্তি ডেস্ক : প্রাচীন গ্রিসে ল্যাপটপ ছিল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। প্রায় ১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে নির্মিত একটি ভাস্কর্য দেখে এই বিতর্কের শুরু। ওই শিল্পকর্মে দেখা যায়, এক কিশোরী ল্যাপটপের মতো একটি জিনিস তুলে ধরেছে একজন নারীর সামনে।
ভাস্কর্যটি রাখা আছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মালিবুতে অবস্থিত জে পল গেটি মিউজিয়ামে।
ইউটিউবের স্টিলস্পিকিংআউট চ্যানেলে ভাস্কর্য5e9bc1b4cf538430f86fb33b28477adf-48টির একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হচ্ছে, ভাস্কর্যে যে জিনিসটি দেখা যাচ্ছে, তা আসলে এ যুগের বহনযোগ্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ছাড়া আর কিছু নয়। আর এটি টাইম মেশিনে চড়ে অতীত ভ্রমণের প্রমাণও বটে!
ইউটিউবে ৪৫ হাজারের বেশি বার দেখা হয়েছে ভিডিওটি। এতে অজস্র মন্তব্যও করেছেন দর্শকেরা।
মজা করতেও ছাড়েননি কেউ কেউ। একজন লিখেছেন, জিনিসটি আসলে ছোট আকারের পিৎজা। ভাস্কর যে দৃশ্যটি তুলে ধরেছেন তা হলো, একজন ক্রেতাকে পিৎজাটি সরবরাহ করছেন আরেকজন। আর ওই ক্রেতা যাচাই করে দেখছেন, তাতে তাঁর কাঙ্ক্ষিত উপাদানটি আছে কি না।
আরেকজনের মন্তব্য, কেন আপনারা মনে করেন, প্রাচীন গ্রিসে শুধু যুদ্ধবিগ্রহই লেগে থাকত? সেখানে আরও অনেক কিছু হতো।
মার্কিন ওই জাদুঘরের প্রাচীন নিদর্শন সংরক্ষণ বিভাগের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক জেফ্রি স্পায়ার বলেন, জিনিসটা আসলেই ল্যাপটপের মতো দেখতে। তবে নিশ্চয়ই এটা ল্যাপটপ নয়। হতে পারে কোনো গয়নার বাক্স কিংবা কাঠের তৈরি কিছু অথবা ভাঁজ করে রাখার উপযোগী আয়না।
অবশ্য অনলাইনে মন্তব্যকারীদের কেউ কেউ ওই ল্যাপটপসদৃশ জিনিসে যে একাধিক ছিদ্র রয়েছে, সেগুলোকে ‘ইউএসবি পোর্ট’ বলে মনে করছেন। এমন দাবি উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পকলার ইতিহাস ও ধ্রুপদি নিদর্শন বিভাগের অধ্যাপক জেফ হারউইট বলেন, ব্রোঞ্জের কোনো জিনিস বা মার্বেল কিংবা পাথর বসানোর জন্য এমন গর্ত রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন