কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে স্টেডিয়াম পাড়া,ফাঁকা গ্যালারি

IMG_20160128_094724 (Large)মিজান আহমদ চৌধুরী,সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে: ক্রিকেটের বেশকিছু বড় ইভেন্ট আয়োজিত হয়েছে বাংলাদেশে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনের অভিজ্ঞতাও। ২০১১ সালে ভারত ও শ্রীলংকার সঙ্গে যৌথভাবে ওই বিশ্বকাপের আয়োজন করে বাংলাদেশ। এ ছাড়া ১৯৯৮ সালে মিনি বিশ্বকাপ ও ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করে বাংলাদেশ।

সফল আয়োজক হিসেবে বিশ্ববাসীর প্রশংসাও ক্রিকেটপ্রেমী দেশটি। এরই ধারাবাহিকতায় এবারবাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ (যুব বিশ্বকাপ) ক্রিকেট বিশ্বকাপের একাদশতম আসর।যুব বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজনের নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে এখন বাংলাদেশ। বিশ্ববাসীর আস্থা ধরে রাখা ও আয়োজক হিসেবে সফলতার মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত করাই বর্তমান চ্যালেঞ্জ। বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে সবার আগে ওঠে নিরাপত্তা প্রশ্ন।

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নেমেছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান। ম্যাচের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়ার মতো। স্টেডিয়ামের পার্শ্ববর্তী সব জায়গায় পুলিশ, র্যাব ও নিরাপত্তা কর্মীরা হয়েছেন দ্বায়িত্বরত। দর্শক প্রবেশ পথে কয়েক ধাপে তাদেরকে তল্লাশি করা হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা জনিত কারনে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে তেমন প্রচার প্রচারনা না হওয়ায় স্টেডিয়ামে তেমন দর্শক নেই। তবে সিলেটের স্থানীয় আয়োজকেরা আশা করছেন বেলা বাড়ার সাথে সাথে দর্মক সমাগম হবে ।

বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন সময়ে পোশাকধারী ছাড়াও সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবেন  আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। বিশেষ করে গ্যালারিতে দর্শক সেজে গোয়েন্দা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে বলে জানা গেছে।

এবার বিশ্বকাপ চলাকালে প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হবে বলেও জানা গেছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের জন্য সিলেটে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন