‘হামার মাটি হামার মা, ছিনে লিতে দিব না’

2000সিলেটের সকাল ডেস্ক : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চানপুর চা বাগানের চা শ্রমিকদের ১৫০ বছরের ভোগ দখলীয় তিন ফসলী ধানী জমি ও বসত ভিটায় স্পেসাল ইকোনমিক জোন করার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। রোববার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে এর প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট ভ্যালী শাখা সহ ও অধিকারভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রায় ১৬ হাজার চা শ্রমিক পরিবার এখনো আতঙ্কে রয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসন নীরবে স্পেসাল ইকোনমিক জোন করার প্রকৃয়া অব্যাহত রাখছে। চা বাগানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি করছে। তাঁরা চা-বাগানের রাস্তা দিয়ে চলাচল করার সাহস পাচ্ছেন না।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট ভ্যালী শাখা ’র সভাপতি রাজু গোয়ালার সভাপতিত্বে ও মুলু বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রনব জ্যোতি পাল, সদস্য, সিলেট জেলা বাসদ। চা শ্রমিক সন্তান যতিন বাকতী’র পরিচালনায় বক্তারা চানপুর চা বাগানের চা শ্রমিকদের ভোগ দখলীয় তিন ফসলী ধানী জমি ও বসত ভিটায় স্পেসাল ইকোনমিক জোন বাতিল করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে সংহতি বক্তব্যে ফারুক মাহমুদ চৌধুরী, সভাপতি, সনাক সিলেট বলেন, সরকার স্পেসাল ইকোনমিক জোন করুক এটা আমরা চাই। কিন্তুু চা শ্রমিকদের ১৫০ বছরের ভোগ দখলীয় তিন ফসলী ধানী জমি ও বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে নয়। তিনি এর প্রতিবাদ করেন।

চা শ্রমকি রবি ওরাওঁ বলনে, ‘ হামার মাটি হামার মা, ছিনে লিতে দিব না। এখানে র্অথনতৈকি অঞ্চল আমরা চাই না।’

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ফারুক মাহমুদ চৌধুরী, সভাপতি, সনাক সিলেট, এড. আনোয়ার হোসেন সুমন, সাধারন সম্পাদক, সিপিবি সিলেট জেলা, বিলাস ব্যানার্জি, সভাপতি, বড়জান চা কারখানা পঞ্চায়েত কমিটি, ্সুজিত বাড়াইক, সাধারন সম্পাদক, সিলেট চা জনগোষ্টি ছাত্র-যুব কল্যাণ পরিষদ, দুলন কর্মকার, সাবেক ইউপি মেম্বার, জিতেন সবর, সভাপতি, মালনীছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি, মনি বেগম, সুশান্ত চাষা, মদন গঞ্জু, সভাপতি, হিলুয়াছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি,ধরণী দাস, সভাপতি, কেওয়াছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি, সিতু লোহার, সভাপতি, লাক্কাতুরা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি, মিন্টু দাস, সভাপতি, দলদলী চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি প্রমুখ।

শেয়ার করুন