দক্ষিণ সুরমার ওসির বিরুদ্ধে র‌্যাব কর্মকর্তার স্ত্রীর অভিযোগ

ghসিলেটের সকাল : সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি এসএম আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে গাড়ি চোর সিন্ডিকেটে ২ সদস্যকে হাতেনাতে আটকের পর ছেড়ে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সোমবার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী র‌্যাব-৪ মিরপুরের কর্মকর্তা এসআই এসএম মাইন উদ্দিনের স্ত্রী সামসুন্নাহার পুষ্প।
এছাড়া চোরাই গাড়ির জব্দ তালিকা আদালতে প্রেরণ না করা ও উদ্ধারকৃত গাড়িটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর না করে সময়ক্ষেপনেরও অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৭ নভেম্বর তার মালিকানাধীন একটি সিএনজি অটোরিক্সা চুরি হয়। এ ব্যাপারে বিমানবন্দর থানায় মামলা (নং-১৭) করেন। তার স্বামী এসএমপিতে কর্মরত থাকার সুবাদে সোর্স মারফত জানতে পারেন চোরাই সিএনজিটি দক্ষিণ সুরমার লাউয়াইয়ে রয়েছে। বিষয়টি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দক্ষিণ সুরমা থানায় জানানো হলে ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ লাউয়াই থেকে ধাওয়া করে থানার সামনে ২ ব্যক্তিকে আটক করে। খবর পেয়ে মামলার বাদী ও পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ সুরমা থানায় যান।
এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম জব্দকৃত গাড়ির হুড খোলা ও ইঞ্জিন ও চেসিস নাম্বারে ঘষামাজা দেখতে পেরে বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়ার কথা জানান। পাশাপাশি জব্দকৃত গাড়িটি সন্ধিগ্ন আলামত হিসেবে জব্দ ও আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান।
পরদিন মামলার বাদী জানতে পারেন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি এসএম আতাউর রহমান ‘অবৈধ ভাবে’ লাভবান হয়ে চোরাই গাড়িসহ আটক ২ জনকে ছেড়ে দেন। এছাড়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে গাড়িটি জব্দ করতে দেননি। পাশাপাশি বিমানবন্দর থানায়ও কোনো বেতার বার্তা পাঠাননি।
লিখিত অভিযোগে সামসুন্নাহার পুষ্প উল্লেখ করেন, চোরাই গাড়িসহ আটক ২ জনকে অবৈধভাবে ছেড়ে না দিলে সিলেটে গাড়ি চোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের সনাক্ত করা যেতো। বার বার তাগাদা দেওয়ার পরও ওসি আতাউর রহমান গাড়িটির জব্দ তালিকা ৪ দিনেও আদালতে পাঠাননি। এ অবস্থায় গাড়িটি নিজ হেফাজতে পেতে মামলার বাদী সোমবার সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে আবেদন করেছেন।

শেয়ার করুন