এক বছর পর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের প্রাচীর নির্মাণে বিএসএফ’র বাঁধা

04-12-2014 (1) (FILEminimizer)

মনজুর আহমদ, গোয়াইনঘাট থেকেঃ জৈন্তাপুর উপজেলা সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রে‘র সীমানা প্রচীর নির্মানে ভারতীয় বিএসএফ বাঁধা প্রদান করেছে। উভয় দেশের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে নিষ্ফল পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী শনিবার পুনরায় পতাকা বৈঠকের আহবান জানিয়েছে বিএসএফ।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়- গত  বছর হতে জৈন্তাপুর উপজেলার সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রটি তাদের সীমানা প্রচীর নির্মাণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২দিন পূর্বে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী প্রচীর নির্মানে বাঁধা সৃষ্টি করে। এনিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় জৈন্তাপুর সীমান্তের ১২৮৭নং আর্ন্তজাতিক পিলারের ৫এস পিলার সংলগ্ন স্থানে উভয় দেশের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পতাকা বৈঠকে ভারতের পক্ষে ১৮নং ব্যাটালিয়নের মুক্তাপুর কোম্পানী কমান্ডার বিরেন্দ্র আর কে রমেন সহ ৭বিএসএফ সদস্য এবং বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বদেন শ্রীপুর কোম্পানী কামান্ডার নায়েক সুবেদার মোঃ আব্দুর রশিদ, জৈন্তাপুর ক্যাম্প কমান্ডার আব্দুছ ছালাম সহ ৮সদস্যের টিম।

এসময় সাইট্রাস গবেষনা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্তকর্তা বুরহান উদ্দিন ও ঝুটন চন্দ্র সরকার সহ কয়েকজন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী পতাকা বৈঠকে সীমানা প্রচীর নির্মান বন্ধ রাখার দাবী জানায় ভারতীয় প্রতিনিধি দল। ফলে পতাকা বৈঠকের কোন সফলতা আসেনি। এনিয়ে আগামী ৬ ডিসেম্বর পুনরায় পতাকা বৈঠকের আহবান জানিয়ে বিএসএফ চলে যায়।

এব্যপারে বিজিবি’র শ্রীপুর কোম্পানী কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুর রশিদ বিএসএফ’র বাঁধা কথা স্বীকার করে বলেন- বিএসএফ অবৈধ ভাবে আমাদেরকে বাঁধা দিচ্ছে। এজন্য আমরা শান্তিপূর্ণ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে কড়া বাঁধা দিয়েছি। আমাদের তীব্র বাঁধার ফলে বিএসএফ তাদের উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার জন্য আমাদের কাছ থেকে সময় চেয়েছে। এদিকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নিমিত্বে শনিবার পর্যন্ত সাইট্রাস গবেষনা কেন্দ্রের প্রচীর নির্মাণ সাময়িক ভাবে বন্দ রাখা হয়েছে। ৫বিজিবি‘র অধিনায় কর্নেল মাজহারুল ইসলাম জানান বিএসএফ বাধাঁ দেয়নি সীমানা প্রাচীর স্থায়ী ভাবেব নির্মানের জন্য যৌথভাবে জরিপ কাজ হয়েছে। প্রাচীরের অল্প কাজ বাকী আছে, দু‘একদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

শেয়ার করুন