মানবাধিকার রক্ষায় সকলের এগিয়ে আসা উচিত: ইকবাল সিদ্দিকী

Odhikar. sylhet copyসিলেটের সকাল রিপোর্ট: সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী বলেছেন, মানবাধিকার রক্ষায় সকলের এগিয়ে আসা উচিত। বর্তমান সময়ে বিশ্বে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ থেকে পরিত্রান পেতে বিভিন্ন পেশার মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বুধবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার সিলেটের উদ্যোগে র‌্যালি পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকার সিলেটের কো-অর্ডিনেটর সাংবাদিক মো. মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। এ সময় অধিকারের বিবৃতি পাঠ করে শোনানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল সিদ্দিকী আরো বলেন, সাম্য মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে সমাজ ব্যবস্থা চলতে হবে। জনগণের মানবাধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয় সেদিকে সরকারসহ সকলের নজর দেয়া উচিত।

র‌্যালি ও সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী, আরটিভির ব্যুরো প্রধান কামকামুর রাজ্জাক রুনু, সিনিয়র সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, সমাজকর্মী এইচ এম এ মালিক ইমন, সুরমা ভয়েস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, যুব নেতা আফিকুর রহমান আফিক, মানবাধিকার কর্মী আলী আহসান হাবিব, এডভোকেট নাজমা আখতার খান, মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ শাহ আলম, মানবাধিকার কর্মী মো. মাহবুব ইকবাল মুন্না, আব্দুল আলীম জুয়েল, আলী আকবর রাজন, জুনেদ আহমদ, রেজা আহমদ, মো. ফটিক মিয়া, রাশেদ আহমদ, রমিজ উদ্দিন জাবেদ, মো. হাবিবুর রহমান, আব্দুর রহমান, মো. সুলতান আহমদ, শাকিল আহমদ, সংবাদ কর্মী ফজলু মিয়া প্রমুখ।

সকালে সিলেট নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টায় এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতির বক্তব্যে মো. মুহিবুর রহমান বলেন, নিবর্তনমূলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০০৯ ও ২০১৩) এখনো বলবৎ আছে। এ আইনটি মানবাধিকার রক্ষাকর্মী, সাংবাদিক ও স্বাধীনচেতা মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে অযতা হয়রানি করছে। এ আইনের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

শেয়ার করুন