ভোলাগঞ্জে চুনাপাথর আমদানীকারক গ্রুপের কার্যালয় উদ্বোধন

sylhet-1সিলেটের সকাল ডেস্ক : কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল বাছির বলেছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটলেই কোম্পানীগঞ্জ হবে সিলেটের ব্যবসা বানিজ্যের কেন্দ্র-বিন্দু। দিগুন হারে রাজস্ব অর্জন করতে পারবে সরকার। তিনি বলেন, ভোলাগঞ্জে এলসি স্টেশন চালু করা হলেও ইমিগ্রেশন চালু হয়নি। এ কারনে চুনাপাথর আমদানীকারকরা সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সরকারকে এ ব্যাপারে আন্তরিক হওয়ার আহবান জানান তিনি।

তিনি শনিবার বিকেলে সিলেটের ভোলাগঞ্জে চুনাপাথর আমদানীকারক গ্র“পের কার্যালয় উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, সিলেটের রাজনীতি, ব্যবসা বানিজ্য সহ নানা ক্ষেত্রে কোম্পানীগঞ্জবাসীর অবদান প্রচুর। এখানরা এলসি স্টেশন থেকে প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন হয়। কোম্পানীগঞ্জকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই-তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। এ কারনে সব দিক বিবেচনা করে কোম্পানীগঞ্জের উন্নয়নে নজর দেওয়া প্রয়োজন। তিনি অবিলম্বের সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানান।

স্থানীয় ১০ নম্বর এলাকার এলসি স্টেশনে আয়োজিত অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন ভোলাগঞ্জে চুনাপাথর আমদানীকারক গ্র“পের সভাপতি আলা উদ্দিন মেম্বার। সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান মিন্টু ও যুগ্ন সম্পাদক বশির আহমদের পরিচালনায় অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জের ওসি দেলোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী সিকন্দর আলী, থানা বিএনপির সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক হাজী সৈয়দ আলী, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়া অনুষ্টানে আরও বক্তব্য রাখেন, ভোলাগঞ্জে চুনাপাথর আমদানীকারক গ্র“পের নেতা আক্তারুজ্জামান নোমান, হাজী রুনু মিয়া, পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক হাজী দুলন মিয়া, ভোলাগঞ্জে চুনাপাথর আমদানীকারক গ্র“পের কোষাধ্যক্ষ, ফজল আহমদ, সিরাজুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দিন, কাওছার আহমদ, আতাফুর মিয়া প্রমুখ।

অনুষ্টানে বক্তারা জানান, ভোলাগঞ্জে ইমিগ্রেশন না থাকায় তামাবিলে যেতে হয়। এতে করে ব্যবসায়ীরা হয়রানী শিকার হন। অবিলম্বে এ সমস্যা সমাধানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও সংসদ সদস্য ইমরান আহমদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

শেয়ার করুন