বিপিএলে অপ্রতিরোধ্য সিলেট

সিলেট রয়্যালস উড়ছেই। এখন পর্যন্ত এই দলটিকে হারাতে পারেনি কেউ। টানা পঞ্চম জয় তাদের হাতের মুঠোয়। বিপিএল প্রথম আসরের উল্টো চিত্র দ্বিতীয় মৌসুমে। মুশফিকুর রহিমের সিলেট দুর্বার, সাহসী। ধারাবাহিক পারফরমেন্স করে পাঁচ ম্যাচ জিতে ১০ পয়েন্ট পেয়েছে। একম্যাচ কম খেলে ঢাকা গ্ল্যাডিয়টরসের পয়েন্ট ৬। চিটাগং কিংসের হোম গ্রাউন্ড এমএ আজিজ স্টেডিয়াম। বিশাল দর্শক সমাগত হয় প্রিয় দলকে সমর্থন দেওয়ার জন্য। কিন্তু দর্শক সমর্থনও জেতাতে পারেনি কিংসকে। খুলনা থেকে একমাত্র জয় নিয়ে ফেরা দলটিই নিজেদের মাঠে সিলেট রয়্যালসের কাছে হারলো ৩ উইকেটে। চার ম্যাচে কিংসের এটি তৃতীয় পরাজয়।
ব্যাটিংটা ভালোই করে কিংস, দর্শক মাতানো। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭২ রান। ব্যাটিং ট্র্যাকে ওই রানও নিরাপদ ছিল না কিংসের জন্য। সিলেট ৩ বল হাতে রেখে ম্যাচ জেতে। ওপেনিং জুটিতে রবি বোপারা এবং নাঈম ইসলাম খেলেন ৭৮ রানের ইনিংস। ৫৮ বলে ওই রান এসেছে এই জুটিতে। সোহাগ গাজীর বলে মো. নবীর হাতে ক্যাচ তুলে জুটি ভাঙেন বোপারা। ৩ চার এক ছয়ে ২৯ বলে খেলেন ৩৪ রানের ইনিংস।
নাঈম এদিন ছন্দে ছিলেন। ব্রান্ডন টেলর (০), মাহমুদউল্লাহ (৯), রায়ান টেনের (২১) উইকেট যাওয়ার পরও বিচলিত হননি। ১৭তম ওভারের শেষ বলে সোহরাওয়ার্দী শুভ তাকে ফেরালেন। ৯ চারে ৫২ বলে ৭২ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। টানা তিন ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ওপেন করা চিটাগং কিংসের এই ব্যাটসম্যানের সেরা ইনিংসটি এসেছে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে। গত তিন ম্যাচে ২, ৭ ও ১৯ রান করেছেন। তাঁর ব্যাটে ধারাবাহিক উন্নতিও লক্ষণীয়।
সোহরাওয়ার্দী এবং সোহাগ দুটি করে উইকেট পেলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন ডার্ক ন্যানেস, মো. নবী ও বিশওয়ান্ত হালদার। সিলেট খুব পরিকল্পিত দল। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই অলরাউন্ড পারফরমেন্স করছে। হ্যামিলটন মাসাকাদজা ওপেনিংয়ে টানা পারফর্ম না করলেও তার ওপর থেকে আস্থা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। পল স্টারলিং, মো. নবী এবং এলটন চিগুম্বুরাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তারাও প্রতিদান দিয়েছেন কোচকে। সোমবার কিংসের ১৭২ রানকেও সিলেট টপকে গেছে ১৯.৩ ওভার খেলে।

শেয়ার করুন